গরম না ঠাণ্ডা- স্নান করার জন্য কোন জল ভাল?

গরম না ঠাণ্ডা জল দিয়ে স্নান করবেন এ নিয়ে অনেকেই দ্বিধান্বিত হন। এটা আসলে যার যার পছন্দের ব্যাপার। অনেকসময় এটা আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে। আবার কখনওবা বয়স, রোগব্যাধি ,অভ্যাসের উপরও নির্ভর করে। গরম বা ঠাণ্ডা-যেই জল দিয়েই স্নান করুন না কেন দু’টিরই আলাদা কিছু সুবিধা রয়েছে। যেমন-

ঠাণ্ডা জল দিয়ে স্নান করার উপকারিতা-

১) সকালে ঠাণ্ডা জল দিয়ে স্নান করলে শরীরের অলসতা কেটে যায়। শরীরে দিনভর কাজ করার উদ্দীপনা তৈরি হয়।

২) মন খারাপ ভাব, হতাশাও কেটে যায়।

৩) ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ে।

৪) শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। সেই সঙ্গে যেকোন ধরনের ইনফেকশন প্রতিরোধ করতে শরীরের সেলগুলো শক্তি অর্জন করে।

গরম জল দিয়ে স্নান করার উপকারিতা-

১) উষ্ণ তাপমাত্রার জল যেকোন ধরনের জীবাণু ধ্বংস করে। গরম জল দিয়ে স্নান করলে শরীর পরিষ্কার হয়।

২) শরীরের মাংসপেশীগুলো আরাম বোধ করে।সেই সঙ্গে পেশীর ব্যথাও কমে যায়।

৩) গরম জলে স্নান শরীরের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।

৪) ঠাণ্ডা-কাশি সারাতেও গরম জলে স্নান বেশ কার্যকরী।

আয়ুর্বেদিক চিকিত্‍সায় স্নানের জন্য ঠাণ্ডা-গরম দুই ধরনের জলেরই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, হালকা গরম জল শরীর পরিষ্কার করতে উপকারী। তবে মাথা ধোয়ার জন্য অবশ্যই ঠাণ্ডা জল ব্যবহার করা উচিত। এছাড়া বয়স, আবহাওয়া, রোগব্যাধির উপর ভিত্তি করেও স্নানের জল নির্বাচনের জন্য গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

হাড় মজবুত রাখে পনির

পনির অনেকেরই পছন্দের খাবার। এটি সবসময় ফ্যাটি খাবারের সঙ্গে মেশানো হয় বলে অনেকেই এর স্বাস্থ্য গুণ সম্পর্কে জানেন না। পনিরের প্রচুর পরিমাণে প্রোটিণ, ভিটামিন এ, রিবোফ্লাভিন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্ক, এবং ভিটামিন বি টুএলফ থাকে যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়া পনির ত্বক ও চুলের জন্যও বেশ কার্যকরী। পনির খেলে যেসব উপকার পাওয়া যাবে-

১) পনিরে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকায় এটি দাঁতের জন্য বেশ উপকারী। এটি দাঁতের ক্ষয় রোধ করে।

২) পনিরে থাকা লাইলোলিক অ্যাসিড এবং স্ফিনগোলিপিডস উপাদান ক্যানসার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। এতে থাকা ভিটামিন বি শরীরের কার্যকারিতা বজায় রাখে এবং শরীরকে রোগজীবাণু মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।
৩) পনিরে প্রাকৃতিক ফ্যাট থাকায় এটি ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। তবে কিছু কিছু পনিরে কম ফ্যাট থাকায় সেগুলি শরীরে ওজনের ভারসাম্য বজায় রাখে।

৪) এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন বি থাকায় এটি হাড় মজবুত রাখতে ভূমিকা রাখে।

৫) কম সোডিয়ামযুক্ত পনির হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এতে থাকা ভিটামিন বি উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

৬) মাইগ্রেনজনিত মাথা ব্যথা সারাতে পনির বেশ কার্যকরী। ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার মাইগ্রেন কমাতে সাহায্য করে। আর পনির ক্যালসিয়ামের দারুন উত্‍স।

৭) শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় পনির।

৮) উচ্চ পরিমাণে প্রোটিণ, ভিটামিন বি থাকায় পনির চুল মজবুত করে। সেই সঙ্গে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য

চুলের বৃদ্ধিতে ব্যবহার করুন আলুর রস

খাবার হিসেবে সারা বিশ্বে আলুর বিশেষ সমাদর রয়েছে। পুষ্টি গুণে ভরপুর আলু ব্যবহার করা যায় ত্বক এবং চুলের যত্নেও। অনেকেরই হয়তো জানা নেই,আলুর রস চুলের বৃদ্ধি ঘটাতে বিশেষ কার্যকরী।

আলুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি, সি, জিঙ্ক, আয়রণ রয়েছে। এটা চুলের বৃদ্ধি ঘটায়। এছাড়া মাথার খুলিতে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করে। আলুর রস ব্যবহারে চুল হয়ে ওঠে ঝলমলে।

এমনিতে ভেঙে যাওয়া রুক্ষ চুল সহজে বাড়তে চায় না। আলুর রস ব্যবহার করে চুলের জৌলুস ফেরানো যায়। আলুর রসের তৈরি হেয়ার প্যাক নিয়মিত ব্যবহারে চুল যেমন দ্রুত বাড়বে, তেমনি মজবুত হবে চুলের গোড়াও।

যেভাবে তৈরি করবেন আলুর হেয়ার প্যাক

প্রথমে খোসাসহ আলুটা ভালোভাবে ধুয়ে নিন। ছোট ছোট টুকরা করে আলুটা কাটুন। এবার এগুলো ব্লেন্ডারে দিয়ে ভালো ভাবে পিষে নিন। বেশি ঘন হলে সামান্য পানি মিশিয়ে নিন। ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরার জেল মিশিয়ে নিন। এবার চুলের গোড়ায় ঘষে ঘষে মিশ্রণটি লাগান। আধা ঘণ্টা পরে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

হজমের সমস্যা দূর করে নারকেল তেল

আমরা সাধারণত চুলের যত্নে ব্যবহার করি নারকেল তেল। কেউ কেউ আবার ত্বক পরিচর্চার জন্যও ব্যবহার করে এটি। তবে এখানেই এর পুষ্টিগুণ শেষ নয়। নারকেল তেলকে বলা হয় ‘মিরাকেল অয়েল’। কারণ চুল কিংবা ত্বক পরিচর্চার পাশাপাশি অনেকগুলো স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধান করে থাকে এই নারকেল তেল। চলুন জেনে নেই নারকেল তেলের এমনই অজানা কিছু ব্যবহার।

১। ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে
ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে বগলে কিছু পরিমাণ নারকেল তেল ম্যাসাজ করে লাগান। নারকেল তেলে থাকা উপাদান ঘাম শুষে নেয়, যা দুর্গন্ধ হওয়া রোধ করে।

২। হজমের সমস্যা দূর করতে
নারকেল তেলে কিছু উপকারি ফ্যাট রয়েছে। এর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান পাকস্থলীর ইনফেকশন দূর করে। ফলে হজমের সমস্যা দূর হয়।
৩। অনিদ্রা দূর করতে
ঘুমের সমস্যা দূর করে দেবে নারকেল তেল। প্রতিদিন তিন টেবিল চামচ বিশুদ্ধ নারকেল পান করুন। এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়া ঠিক রাখে। যা আপনাকে ভালো ঘুমে সহায়তা করে।

৪। ছোটখাটো জ্বালাপোড়া
হঠাৎ করে হাত পুড়ে গেলে সেখানে কিছু পরিমাণ নারকেল তেল ব্যবহার করুন। দেখবেন জ্বালাপোড়া অনেকটা কমে গেছে। কিছুক্ষণ পর পর পুড়ে যাওয়া স্থানে নারকেল তেল ব্যবহার করুন।

৫। এ্যার্নাজি বৃদ্ধিতে
খাবার উপযুক্ত নারকেল তেল প্রতিদিন খেলে তা দেহের এনার্জি বৃদ্ধি করে। এছাড়া নারকেল তেলের থাকা অ্যাসিড মস্তিষ্ক রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে। তবে রান্নায় বিশুদ্ধ নারকেল তেল ব্যবহার করা উচিত।

৬। ব্যথা প্রশমিত করতে
জয়েন্টের ব্যথা কিংবা হাঁটু ব্যথাতে কুসুম গরম নারকেল তেল ম্যাসাজ করুন। এটি ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে।

৭। ত্বক ময়েশ্চারাইজ করতে
ত্বক ময়েশ্চারাইজ করতে নারকেল ব্যবহার করা হয়। লোশন ব্যবহার না করে ত্বকে নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন। এটি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকের জ্বালাপোড়া এবং রিংকেল দূর করে দেয়।

৮। বলিরেখা দূর করতে
বলিরেখা এবং রিংকেল প্রতিরোধ করতে নারকেলের জুড়ি নেই। দিনে দুইবার ত্বকে নারকেল তেল ম্যাসাজ করে লাগান। এটি নিয়মিত করুন। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে বলিরেখা পড়া রোধ করে।

খালি পেটে রসুন খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা জানুন

অনেকের কাছেই সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন খাওয়াটা ভীষণ অস্বাস্থ্যকর মনে হতে পারে। কিন্তু খালি পেটে রসুন খাওয়া দেহের জন্য ভীষণ স্বাস্থ্যকর একটি ব্যাপার।

খালি পেটে রসুন খেলে এমন কিছু উপকার হয়, যেটা অন্য খাবারের সাথে রান্না করা অবস্থায় খেলে হয় না। এটি শুধু বিভিন্ন ধরণের রোগ দূরই করে না, পাশাপাশি বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই খালি পেটে রসুন খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে : অসংখ্য মানুষ যারা উচ্চ রক্তচাপের শিকার তারা দেখেছেন, রসুন খাওয়ার ফলে তাদের উচ্চ রক্তচাপের কিছু উপসর্গ উপশম হয়। রসুন খাওয়ার ফলে তারা শরীরে ভাল পরিবর্তন দেখতে পায়।
শরীরকে ডি-টক্সিফাই করে : অন্যান্য ঔষধের তুলনায় শরীরকে ডি-টক্সিফাই করতে রসুন কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রসুন প্যারাসাইট, কৃমি পরিত্রাণ, জিদ, সাঙ্ঘাতিক জ্বর, ডায়াবেটিস, বিষণ্ণতা এবং ক্যান্সার এর মত বড় বড় রোগ প্রতিরোধ করে।
প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক : গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পেটে রসুন খাওয়া হলে এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক এর মতো কাজ করে। সকালে নাস্তার পূর্বে রসুন খেলে এটি আরও কার্যকরীভাবে কাজ করে। তখন রসুন খাওয়ার ফলে ব্যাকটেরিয়াগুলো উন্মুক্ত হয় এবং রসুনের ক্ষমতার কাছে তারা নতিস্বীকার করে। তখন শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াসমূহ আর রক্ষা পায় না।

যক্ষ্মা প্রতিরোধক : আপনার যদি যক্ষ্মা বা টিবি জাতীয় কোন সমস্যা ধরা পড়ে, তাহলে সারাদিনে একটি সম্পূর্ণ রসুন কয়েক অংশে বিভক্ত করে বার বার খেতে পারেন। এতে আপনার যক্ষ্মা রোগ নির্মূলে সহায়তা পাবেন।

অন্ত্রের জন্য ভাল : খালি পেটে রসুন খাওয়ার ফলে যকৃত এবং মূত্রাশয় সঠিকভাবে নিজ নিজ কার্য সম্পাদন করে। এছাড়াও, এর ফলে পেটের বিভিন্ন সমস্যা দূর হয় যেমন- ডায়রিয়া। এটা হজম ও ক্ষুধার উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। এটি স্ট্রেস দূর করতেও সক্ষম। স্ট্রেস বা চাপের কারনে আমাদের গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যায় পরতে হয়। তাই, খালি পেটে রসুন খেলে এটি আমাদের স্নায়বিক চাপ কমিয়ে এ সকল সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

শ্বসন : রসুন যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস, ফুসফুসের কনজেশন, হাপানি, হুপিং কাশি ইত্যাদি প্রতিরোধ করে। রসুন এ সকল রোগ আরোগ্যের মাধ্যমে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে।

সতর্কবার্তা : যাদের রসুন খাওয়ার ফলে এলার্জি হবার আশঙ্কা রয়েছে বা হয় তারা অবশ্যই কাঁচা রসুন খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এছাড়া যাদের রসুন খাওয়ার ফলে মাথা ব্যথার সমস্যা হয়, বমির প্রাদুর্ভাব হয় বা অন্য কোন সমস্যা দেখা যায় তাদের জন্য কাঁচা রসুন না খাওয়াই ভাল।


বুকে জমা কফে কষ্ট পাচ্ছেন? দু’দিনে সেরে উঠুন ঘরোয়া উপায়ে

একটু একটু করে জাঁকিয়ে বসছে শীত। আর শীতের শুরুতেই যত সর্দি-কাশি, বুকে কফ বা শ্লেষ্মা জমার সমস্যা দেখা যায়। সর্দি-কাশি, বুকে কফ বা শ্লেষ্মা জমার সমস্যা আপাত দৃষ্টিতে সাধারণ একটি সমস্যা বলে মনে হলেও সময় মতো এর চিকিৎসা করা না গেলে এটি শ্বাসযন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে শ্বাসযন্ত্রে। তাই এই সমস্যায় শুরু থেকেই ব্যবস্থা নিতে হবে। চিকিত্সকের কাছে যাওয়ার আগেই ঘরোয়া উপায়ে এই সমস্যা কমানোর ব্যবস্থা নিতে হবে। আজ জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু ঘরোয়া উপায় যা সর্দি-কাশি, বুকে কফ বা শ্লেষ্মা জমার সমস্যার উপশমে বিশেষ কার্যকরী।

১) নুন জল: বুকের সর্দি, কফ দূর করতে সবচেয়ে সহজ আর সস্তা উপায় হল নুন জল। নুন শ্বাসযন্ত্র থেকে কফ দূর করতে সাহায্য করে। এক গ্লাস সামান্য উষ্ণ জলের সঙ্গে এক চা চামচ নুন মিশিয়ে নিন। এটি দিয়ে দিনে দুই তিনবার গারগেল করুন।

২) লেবু এবং মধু: লেবু জলে এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। মধু শ্বাসযন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সাহায্য করে। এমনকি এটি বুক থেকে কফ বা শ্লেষ্মা দূর করে গলা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

৩) হলুদ: হলুদে থাকা কারকুমিন নামের উপাদান বুক থেকে কফ, শ্লেষ্মা দূর করে বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট দ্রুত কমিয়ে দেয়। এর অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান গলা ও বুকের খুসখুসে অস্বস্থি, জ্বালা, ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এক গ্লাস সামান্য উষ্ণ জলেতে এক চিমটে হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি দিয়ে প্রতিদিন গারগেল বা কুলকুচি করুন। এ ছাড়া এক গ্লাস দুধে আধা চা চামচ হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। সম্ভব হলে এর সঙ্গে দু’ চা চামচ মধু এবং এক চিমটে গোল মরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে এই দুধ দিনে দুই থেকে তিনবার পান করুন। উপকার পাবেন।

৪) পেঁয়াজ: একই পরিমাণের পেঁয়াজের রস, লেবুর রস, মধু এবং জল একসঙ্গে মিশিয়ে ৫-৭ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এই ভাবে সামান্য উষ্ণ এই জল দিনে অন্তত তিন থেকে চারবার পান করুন। উপকার পাবেন।

৫) আদা: এক টেবিল চামচ আদা কুচি এক জলে মেশান। এ বার এটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ৫-১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে এতে সামান্য মধু দিয়ে দিন। দিনে অন্তত তিনবার এই পানীয়টি পান করুন। এ ছাড়া এক চা চামচ আদা কুচি, গোল মরিচের গুঁড়ো, এবং লবঙ্গের গুঁড়ো দুধ বা মধুর সঙ্গে মিশিয়ে মিশ্রণটি দিনে তিনবার পান করুন। আপনি চাইলে এক টুকরো আদা নিয়ে মুখে চাবাতে পারেন। আদার রস বুকের কফ বা শ্লেষ্মা শরীর থেকে বের করে দিতে সাহায্য করবে।

৬) অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার: এক কাপ সামান্য উষ্ণ জলে দুই চা চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এর সঙ্গে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে এই পানীয়টি দিনে অন্তত দু’ তিনবার পান করুন। মোটামুটি ৮-১০ দিন পান করুন। দ্রুত শ্লেষ্মার সমস্যা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*