সাভারে ধর্ষণ মামলার আসামির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

ঢাকার সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের খাগাইন এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার রাতে গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, তাঁর নাম রিপন। তিনি ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি ছিলেন।

সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আউয়াল বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে খাগাইন থেকে রিপনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি গত ৫ জানুয়ারি আশুলিয়ায় কিশোরী ধর্ষণ মামলার আসামি। ধর্ষণের একদিন পর ওই কিশোরী হাসপাতালে মারা যায়।


সাভার থানা সূত্র জানায়, কয়েক মাস আগে পোশাক শ্রমিক রহিমের সঙ্গে তাঁর এক নারী সহকর্মীর সম্পর্ক হয়। গত ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাতটার দিকে কারখানা ছুটির পর মেয়েটি হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। কারখানা থেকে ২০০ গজ দূরে একটি নির্জন স্থানে পৌঁছানোর পর রহিমের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। এ সময় রহিম তাঁকে কারখানার পাশে প্রাচীর ঘেরা এক খণ্ড জমির এক কোণে থাকা খড়ির ঘরে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা কয়েকজনসহ রিপন তাঁকে ধর্ষণ করেন। এর পর রাত ১২টার দিকে মেয়েটিকে তাঁদের বাসার সামনে পৌঁছে দিয়ে চলে যান।

গত ৭ জানুয়ারি মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পরলে তাঁকে স্থানীয় নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই দিনই মেয়েটির বাবা আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় রহিম, রিপন ও ইব্রাহীমসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়।

এই সংবাদটি প্রথম আলো অনলাইন পোর্টাল থেকে সংগ্রহীত

পুলিশের খোয়া যাওয়া অস্ত্র পাওয়া গেল ‘জঙ্গি’ আসাদুল্লাহর বাসায়

যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএআইডির সা‌বেক কর্মকর্তা জুলহাস মান্নান ও তাঁর বন্ধু মাহবুব রাব্বী তনয় হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসা‌মি ‘জঙ্গি’ আসাদুল্লাহর বাসা থে‌কে পুলিশের খোয়া যাওয়‌া অস্ত্র উদ্ধার ক‌রে‌ছে পুলিশ।

ক‌াউন্টার টের‌রিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) উপকমিশনার ম‌হিবুল ইসলাম খান এ ত‌থ্যের সত্যতা নিশ্চিত ক‌রে‌ছেন।


ম‌হিবুল ইসলাম খান প্রথম আলো‌কে ব‌লেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সি‌টি‌টি‌সির এক‌টি দল আসাদুল্লাহর ট‌ঙ্গীর বাসা থে‌কে অস্ত্র উদ্ধার ক‌রে।

২০১৬ সা‌লের ১৯ ফেব্রুয়ারি বাড্ডার সাঁতারকু‌লে জঙ্গি আস্তানায় পুলিশ অভিযান চালায়। জঙ্গিরা পুলিশের ওপর পাল্টা হামলা চালায়। এতে প‌রিদর্শক বাহাউদ্দীন গুরুতর আহত হন ও পুলিশের ব্যবহৃত বু‌লেটসহ পিস্তল জঙ্গিরা ছিনিয়ে নেয়। ঘটনাস্থল থে‌কে পুলিশ দুজন‌কে গ্রেপ্তার কর‌লেও গত তিন বছর ধ‌রে আসাদুল্লাহ ছিলেন ধরা‌ছোঁয়ার বাইরে।

টঙ্গী থেকে গত মঙ্গলবার আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। টঙ্গী থেকে ঢাকায় এসে জুলহাস-মাহবুব হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন আসাদুল্লাহ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবা‌দে বাড্ডায় সাঁতারকু‌লের সেই জঙ্গি আস্তানায় থাকার কথা স্বীকার করেছেন তিনি।

২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল কলাবাগানের লেক সার্কাস রোডের বাড়িতে ঢুকে ইউএসএআইডির কর্মকর্তা জুলহাস মান্নান ও তাঁর বন্ধু নাট্যকর্মী মাহবুব তনয়কে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় জুলহাসের বড় ভাই মিনহাজ মান্নান কলাবাগান থানায় এ মামলা করেন।

এই সংবাদটি প্রথম আলো অনলাইন পোর্টাল থেকে সংগ্রহীত

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*