ডাকসুর ভিপি হওয়া পর যা বললেন নুরুর বাবা

দীর্ঘ ২৮ বছর পর ডাকসু নির্বাচনে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছে গলাচিপার ছেলে নুরুল হক নুর। সে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের উত্তর চরবিশ্বাস গ্রামের ইদ্রিস হাওলাদারের ছেলে। ডাকসু নির্বাচনে তিনি সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নুরুল-রাশেদ-ফারুক প্যানেলে ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন।

এছাড়া তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম নেতা হিসেবে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। ডাকসু নির্বাচনে ভিপি পদে ১১ হাজার ৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। নুরুলের বিজয়ে গলাচিপার সর্বস্তরের জনগন আনন্দ প্রকাশ করছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পিতা ইদ্রিস হাং ১৯৭৫ সালে পটুয়াখালীর জেলার বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের শৌলা গ্রামের পৈত্রিক নিবাস ছেড়ে নুরুলের দাদা ও ৩ চাচা গলাচিপার উত্তর চরবিশ্বাস এলাকায় বসবাস শুরু করে।

১৯৯১ সালে তার পিতা ইদ্রিস হাং নিজ এলাকায় ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন। তার ৬-৭ কানি জমি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। নুরুলের ৬ বছর বয়সে তা মা নিলুফা বেগম মারা যায়। নুরুলের ৫ বোন ও ৩ ভাই রয়েছে। ৩ ভাইয়ের মধ্যে নুরুল মেঝ। নুরুলের বড় ভাই নুরুজ্জামান হাং ও ছোট ভাই আমিনুল ইসলাম ঢাকা উত্তরা এলাকায় মুদি মনোহরী ও গেঞ্জি বিক্রির ব্যবসা করে। তার ৫ বোনের মধ্যে তিন বোন বিবাহিত। বাকি দুই বোন মধ্যে সীমা আক্তার দশমিনা কলেজ থেকে ২০১৯ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবে এবং ইতি আক্তার চর বিশ্বাস জনতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ২০১৯ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেছে।

এদিকে, নুরুল ২০১০ সালে গাজীপুর জেলা কালিয়াকৈর গোলাম নবী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ৪.৯২ ফলাফল অর্জন করে এবং ২০১২ সালে ঢাকা উত্তরা মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন একই ফলাফল অর্জন করে। এরপর ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে ইংরেজি বিভাগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার সুযোগ পায়।

এ ব্যাপারে নুরুল হক নুর এর বাবা ইদ্রিস হাওলাদার নয়াদিগন্তের প্রতিবেদককে জানান, ছেলের বিজয়ে আমার এলাকার সর্বস্তরের জনগন খুব খুশি। এ বিজয় আপনাদের সকালের। আমার ছেলে ভবিষ্যতে যাতে বড় কিছু হতে পারে তার জন্য তিনি সবার জন্য দোয়া চেয়েছেন।

আত্নসমর্পনকারী মাদক কারবারীদের আইনি সহায়তা দেয়া হবে : আইজিপি

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার) বলেছেন, শুধু অভিযান চালিয়ে আইশৃৃংখলা বাহিনীর একার পক্ষে দেশ মাদক ও জঙ্গীমুক্ত করা সম্ভব নয়। এ জন্য গণমাধ্যমসহ সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

সরকার এক্ষেত্রে জিরো টরারেন্স। যেসব মাদক কারবারী আত্নসমর্পন করবে তাদেরকে আইনি সহায়তা দেয়া হবে। কিন্তু যারা এ ডাকে সাড়া দেবে না তাদের কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।

তিনি মঙ্গলবার বিকেলে বগুড়া পুলিশ লাইন্স মাঠে জেলা পুলিশের বার্ষিক সমাবেশ ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূইয়া বিপিএম (বার) এর সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি এম খুরশীদ হোসেন।

পুরস্কার বিতরন করেন পুলিশ নারী কেন্দ্রের সভাপতি হাবিবা জাবেদ। সন্ধায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য হাবিবর রহমান, বগুড়ার ডিসি ফয়েজ আহাম্মাদ, পুলিশের বিভিন্ন জেলার এসপিসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*