সাবেক মন্ত্রী আমিনুল হকের জীবন সংকটাপন্ন

সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আমিনুল হকের জীবন সংকটাপন্ন। তিনি ক্যান্সার রোগে ভুগছেন বলে জানা গেছে। তিনি এর আগে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন। সম্প্রতি সিঙ্গাপুর থেকে চিকিৎসা শেষ করে ব্যারিস্টার আমিনুল হক রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি এই হাসপাতালের সিসিইউ-তে হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অসুস্থ্য সাবেক এই মন্ত্রীকে দেখতে যান। এ সময় মহাসচিব চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে আমিনুল হকের শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেন।

সাবেক এই মন্ত্রীর সুস্থ্যতার জন্য তার পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর প্রতিবাদ

দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার ১ম পৃষ্ঠায় ১৪ মার্চ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত একটি রিপোর্টে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মিথ্যা প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারী অধ্যাপক মোঃ তাসনীম আলম বৃহস্পতিবার দেয়া এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করেন।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারী অধ্যাপক মোঃ তাসনীম আলম বলেন,‘দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় ১৪ মার্চ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত একটি রিপোর্টে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মিথ্যা প্রচারণার আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। দৈনিক জনকণ্ঠের রিপোর্টে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে যে সব কথা লেখা হয়েছে তা আষাঢ়ে গল্প ছাড়া আর কিছুই নয়।’

তিনি আরো বলেন, দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার মিথ্যা প্রচারণার জবাবে আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কখনো পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই’র সাথে যোগাযোগ রাখে না। দিন তারিখ ও কারো নাম উল্লেখ না করে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই’র সাথে সৌদি আরবের জেদ্দায় জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল পদবির একজন কর্মকর্তার সাথে বৈঠকের যে কথা জনকণ্ঠের রিপোর্টে লেখা হয়েছে, তা একেবারে সর্বৈব মিথ্যা।

ইতোপূর্বেও দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে এ ধরনের একাধিক ফরমায়েসী রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। যার যথারীতি আমরা প্রতিবাদও করেছি। কিন্তু জনকণ্ঠ পত্রিকা কর্তৃপক্ষ তা ছাপানোর মত নৈতিক সাহস দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের এ সব রিপোর্টে তারা এ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে যেসব মিথ্যা কথা লিখেছেন তার একটিও তারা সত্য বলে প্রমাণ করতে পারেননি।

জামায়াতে ইসলামীর মত একটি নিষ্কলুষ সংগঠনকে অবৈধভাবে চাপের মধ্যে রাখার উগ্র মানসিকতার কারণেই জনকণ্ঠ পত্রিকা কর্তৃপক্ষ জামায়াতের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট রিপোর্টের ভাঙ্গা রেকর্ড বারবার বাজাচ্ছেন।

অধ্যাপক মোঃ তাসনীম আলম আরো বলেন, দৈনিক জনকণ্ঠের এ ধরণের বানোয়াট রিপোর্টের ব্যাপারে আমাদের বলার কিছুই নেই। কাজেই জামায়াতের বিরুদ্ধে এ ধরনের হাস্যকর ভিত্তিহীন মিথ্যা রিপোর্ট প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার জন্য আমি জনকণ্ঠ পত্রিকা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। বিজ্ঞপ্তি।

আরো পড়ুন : মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদ জামায়াতে ইসলামীর
নয়া দিগন্ত অনলাইন, (০৬ মার্চ ২০১৯)

একটি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে ৫ মার্চ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে মার্কিন কংগ্রেসম্যান জিম ব্যাংকসের কথিত প্রস্তাবের বরাত দিয়ে জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে প্রচারিত মিথ্যা অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপক মোঃ তাসনীম আলম ৬ মার্চ প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন কংগ্রেসম্যান জিম ব্যাংকসের উত্থাপিত বলে কথিত প্রস্তাবের বরাত দিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে গত ৫ মার্চ প্রকাশিত ভিত্তিহীন মিথ্যা রিপোর্টটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ৪ মার্চ আমরা কথিত এই প্রস্তাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। তা সত্ত্বেও দৈনিকটির অনলাইন সংস্করণে এ ধরনের হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত রিপোর্ট প্রকাশ অত্যন্ত দুঃখজনক। শুধু তাই নয় যে সব সংবাদপত্র জামায়াতের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে তারা জামায়াতের প্রতিবাদ প্রকাশ করার মত নৈতিক সাহসটুকুও দেখাতে পারছেন না।

এই প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও আহমদিয়াদের (কাদিয়ানী) ওপর হামলা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লক্ষ লোক মারা যাওয়া, ১০ লক্ষ লোকের বেশি গৃহহীন হওয়া ও ২ লক্ষ নারী ধর্ষিতা হওয়ার ঘটনার সাথে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই। আল-কায়দা বা তালেবানদের সাথেও জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের কোনো সম্পর্ক নেই। জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ভাবমর্যাদা ক্ষুন্ন করার হীন উদ্দেশ্যেই এ দুটি সংগঠনের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

অতি সম্প্রতি পঞ্চগড়ে সরকারের ছত্রছায়ায় স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় কারা আহমদিয়া বা কাদিয়ানী ও পুলিশের উপর প্রকাশ্যে হামলা এবং লুটপাট চালিয়েছে তা দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে। হামলাকারীদের খুশী করার জন্য সরকার কাদিয়ানীদের অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। সেই হামলার রিপোর্ট ১৩ ও ২৩ ফেব্রুয়ারি জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলোতে ছাপা হয়েছে। তা সত্ত্বেও কেন জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে উদোরপিন্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে?

জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মিথ্যা অপপ্রচার চালানো থেকে বিরত থাকার জন্য আমি দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*