নুসরাতের জন্য চোখ ভিজে যায়: মান্না

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা যাওয়া মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির জন্য চোখ ভিজে যায় কিন্তু সরকার অশ্রুর মূল্য দেয় না বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবে আদর্শ নাগরিক আন্দোলন নামে একটি সংগঠনের তৃতীয় বর্ষপূর্তী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, নুসরাত হত্যার প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন করতে দেয়নি কে ? আওয়ামী লীগ নেতার কারণেই নুসরাত মারা গেছে।

তিনি আরও বলেন, যারা ক্ষমতায় আছে তারা আগের বিভিন্ন ঘটনা ধামাচাপা দেওয়াতেই এ নুসরাতের মতো ঘটনা ঘটছে। তারা আমাদের সরকার নয়। তারা নির্বাচিত নয়। তাদের মানবো না।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মো রহমতুল্লাহ প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

নুসরাতের হত্যাকারীরা আ.লীগ নেতাকর্মী: মোশাররফ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, নুসরাতের হত্যাকারীরা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী। আওয়ামী লীগ নেতার কারণেই এই হত্যাকাণ্ডের স্বপক্ষে সভা সমাবেশ হয়েছে ফেনীর সোনাগাজীতে। অধ্যক্ষ সিরাজ ওলামা লীগ নেতা।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবে আদর্শ নাগরিক আন্দোলন নামে একটি সংগঠনের তৃতীয় বর্ষপূর্তী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মো রহমতুল্লাহ প্রমূখ।

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগের মন্ত্রীরা এখন বিভিন্ন কথা বলে এই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। তারা এখন মাদরাসা শিক্ষার উপর কটাক্ষ করছে। দোষ ব্যক্তির কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষা ব্যবস্থার না।

তিনি বলেন, দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার সব আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। ব্যাংকগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ১৪টি ব্যাংকের মূলধন এখন তিনজন আওয়ামী নেতার হাতে।

দেশে আইনের শাষন নেই উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, বিচারকরা স্বধীনভাবে বিচার করতে পারেন না। তারেক রহমানকে খালাস দেওয়া বিচারককে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে হয়েছিল। বিচার ব্যবস্থাও একজন ব্যক্তির ইচ্ছার অনিচ্ছায় পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সাক্ষী প্রমাণ ছাড়াই খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়েছে উচ্চ আদালত। এ ধরণের মামলায় জামিন হয়। কিন্তু বিভিন্ন মারপ্যাচে ১৩ মাস তিনি অন্যায়ভাবে কারাগারে। দেশে যে আইনের শাষন নাই এটিই তার উদাহরণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*