ঘরের মধ্যে নয়, আসুন রাজপথে নামি: মান্না

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিরুদ্ধে মানববন্ধনের মাধ্যমে আমরা আন্দোলন শুরু করলাম। জনগণের ওপর সরকার যেভাবে নির্যাতন চালাচ্ছে, তার বিরুদ্ধে ঘরের মধ্যে নয়, আসুন আমরা রাজপথে নামি।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে নাগরিক ঐক্য আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

মান্না বলেন, আমাদের রাজনৈতিক সহযোগী বাম দল এই অন্যায়ের প্রতিবাদে রোববার হরতাল ডেকেছে। আমরা তাদের হরতালকে সমর্থন ঘোষণা করছি। তাদের হরতাল আহ্বান যৌক্তিক। জাতীয়ভাবে সবার হরতালের সমর্থনে রাস্তায় নামা উচিত।

তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এবং তার শরিক দলগুলো গ্যাসের দাম বাড়ানোর এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছে। আমি তাদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি, জনগণের ওপর সরকার যেভাবে নির্যাতন চালাচ্ছে, তার বিরুদ্ধে ঘরের মধ্যে নয়, আসুন আমরা রাজপথে নামি।

বরগুনায় রিফাত শরীফের হত্যাকারী নয়ন বন্ডকে কেন গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, তা জানতে চেয়ে তিনি বলেন, বরগুনায় রিফাতের হত্যাকারী নয়ন বন্ডকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তারা বলছে নদীর মধ্যে গোলাগুলিতে নয়ন মারা গেছে।

‘কিন্তু আমি তিন দিন আগে পত্রিকায় দেখেছি, হিলি সীমান্ত পার হওয়ার সময় সে (নয়ন বন্ড) আটক হয়েছে। জানতে চাই, সত্য কী? কেন তাকে গুলি করে মারা হলো?’

তিনি আরও বলেন, আমরা বাম দলের হরতাল সমর্থন করছি। আমরা সক্রিয়ভাবে সেদিন নামবো। তার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোকে বলি, এটা ডান-বামের প্রশ্ন নয়। এটা গ্যাসের প্রশ্ন, জনগণের প্রশ্ন, মানুষের বাঁচার প্রশ্ন। তাই সবাই মিলে আসুন ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলি।

কর্মকর্তাদের শেষবারের মতো সতর্ক করলেন দুদক চেয়ারম্যান

কর্মকর্তাদের শেষবারের মতো সতর্ক করে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, দায়িত্ব পালনে ন্যূনতম ত্রুটি পেলেও কাউকেই ক্ষমা করা হবে না। দুদক কর্মকর্তাদের নৈতিকতার মানদণ্ড হতে হবে সর্বোচ্চ। এক্ষেত্রে কমিশন আপস করবে না।

মঙ্গলবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে কমিশনের উপপরিচালক থেকে মহাপরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক জরুরি সভায় দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন।

তিনি বলেন, কমিশনের কোনো কর্মকর্তা কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন কিনা, তা কঠোরভাবে নজরদারি করা হচ্ছে। কেউ যদি কোনো ধরনের অপরাধে জড়ান, তবে তাকে তার কর্মকাণ্ডের জন্য শাস্তি পেতে হবে।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুদকের সব কর্মকর্তার প্রতি কমিশনের প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত নজরদারি রয়েছে। কোনো ধরণের অনৈতিক আচরণ বা কাজ করলে কাউকেই ক্ষমা করা হবে না।

কতিপয় কর্মকর্তার সম্পর্কে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, বিভিন্ন কৌশলে আপনাদের সতর্ক করা হচ্ছে। তারপরও অনেক ক্ষেত্রেই আপনাদের অনেকের আচরণের ইতিবাচক পরিবর্তন হয়নি।

দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা-২০০৭ এর সর্বশেষ সংশোধনী অনুসারে কমিশনের প্রতিটি অনুসন্ধান ও তদন্ত আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*