কাশ্মীর নিয়ে যা বললেন সরফরাজ ও আফ্রিদি

গোটা পাকিস্তান কাশ্মীরি ভাইদের পাশে আছে, সোমবার ঈদের মোনাজাতে শেষে এমনটাই বললেন পাকিস্তান ক্রিকেট অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। ৩৭০ ধারা রদের পর থেকেই ভারত-পাকিসতান সম্পর্ক প্রায় তলানিতে এসে ঠেকেছে। ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সব সম্পর্ক ছিন্ন করেছে ইসলামাবাদ। থমকে গেছে সমঝোতা এক্সপ্রেসের চাকাও।

এই রাজনৈতিক চাপানউতোরের আবহেই কাশ্মীর নিয়ে মুখ খুললেন পাকিস্তানের অধিনায়ক। তিনি বলেন “কাশ্মীরিদের দুঃখ-দুর্দশা আমরা যেন একসঙ্গে ভাগ করে নিতে পারি। আর এই কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে সর্বশক্তিমান আল্লাহ যেন তাদের সাহায্য করেন, সেই দোয়াই করি।”

এর আগে জম্মু এবং কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা খারিজ ও ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপের কিছু পরেই টুইট করে এই সিদ্ধান্তের প্রবল সমালোচনা করেন সাবেক পাকিস্তানি অলরাউন্ডার শাহিদ আফ্রিদি।বিনা প্ররোচনায় কাশ্মীরে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত হয় বলে উল্লেখ করেন আফ্রিদি। জাতিসঙ্ঘের নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন পাকিস্তানের এই সাবেক অধিনায়ক।আন্তর্জাতিক স্তরে এই বিষয়টি তুলে ধরার আর্জিও জানান।

কিন্তু পাল্টা টুইটে তাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার তথা দিল্লি থেকে নির্বাচিত বিজেপির এমপি গৌতম গম্ভীর।শাহিদ আফ্রিদির পরে কাশ্মীর প্রসঙ্গে এ বারে মুখ খুললেন বর্তমান পাকিস্তানি অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ।

নজর কেড়েছে ভাসমান গোস্তের বাজার
পবিত্র ঈদুল আজহার দিন দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌর সদরে ভাসমান গোস্তের বাজার এলাকাবাসীর নজর কেড়েছে। কোরবানির পরে ভাসমান এই গোস্তের বাজারে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে কৃষক মজুরগণ ছিল ক্রেতা আর গোস্ত বিক্রেতাও ছিল সাধারণ অভাবগ্রস্ত বস্তিবাসী ও ভবঘুরেরা ।

কেউ কোরবানির দিন মুজুরীর সাথে পাওয়া গোস্ত এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংগ্রহ করা গোস্ত এই ভাসমান বাজারে বিক্রি করছেন অভাবগ্রস্ত মানুষেরা।

১২ আগস্ট ঈদুল আযহার দিন দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে ভাসমান বাজারে গোস্ত বেচা কেনার রমরমা অবস্থা। বস্তিবাসী ভবঘুরে মুজুর কৃষক সবাই ৫ থেকে ৮ ও ১০ কেজি, কেউবা আবার তার চেয়েও বেশি গোস্ত সংগ্রহ করেছেন,সেই সংগ্রহ করা গোস্ত কেউ প্রতিকেজি ১৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি করেছেন আবার কেউ একসাথে গোস্তের থলেসহ ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকাতেও বিক্রি করেছেন। এক ক্রেতা না না জানিয়ে বললেন, কোরবানী দেওয়ার সামর্থ্য না থাকায় তিনি এভাবে গোস্ত ক্রয় করেছেন।

বিক্রেতা এক মহিলা জানালেন, অনেক গোস্ত পেয়েছি তাই অল্প কিছু খাওয়ার জন্য রেখে আর সবগুলো বিক্রি করতে নিয়ে এসেছি তিনি বলেন, প্রতি বছর কোরবানির ঈদ এলে তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে গোস্ত সংগ্রহ করে বিক্রি করে দেন এবং ওই দিন আবার পরিবারের সদস্যদের সাথে গোস্ত দিয়ে ভাত খেতেও পারেন।

দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এই ভাসমান বাজারে অন্তত ৪০০ থেকে ৫০০ জন অভাবগ্রস্ত মানুষ শিশু নারী পুরুষ গোস্ত বিক্রি করে এক দিনের জন্য হলে তারা সবাই খুব খুশী হয়েছেন আবার এক সাথে গোস্ত বিক্রি করে নগদ অনেক টাকা হাতে পেয়েছেন। গোস্ত বিক্রেতা অনেক মহিলা জানালেন, ঈুল আযহা এলেই তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে গোস্ত সংগ্রহ করে সিংহ ভাগ গোস্তই বিক্রি করেন, ও অল্পবিস্তর ঘরে রান্না করে পরিবারের সাথে গোস্তদিয়ে ভাত খাওয়ার আনন্দের বিষয়টি নয়া দিগন্তের পাঠকদের কাছে তুলে ধরা হলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*